ঢাকা    সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩
ফিন-টেক বার্তা

অর্থমন্ত্রী জানালেন সৃজনশীল অর্থনীতি প্রসারে সরকারী পদক্ষেপ



অর্থমন্ত্রী জানালেন সৃজনশীল অর্থনীতি প্রসারে সরকারী পদক্ষেপ
অর্থমন্ত্রী জানালেন সৃজনশীল অর্থনীতি প্রসারে সরকারী পদক্ষেপ
অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন সরকার সৃজনশীল অর্থনীতি বৃদ্ধির জন্য করছাড়, তহবিল ও দক্ষতা উন্নয়নসহ বিস্তৃত নীতি চালু করবে, যা দেশের জিডিপি বাড়াতে সহায়ক হবে।
অর্থমন্ত্রী আজ সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন সরকার সৃজনশীল অর্থনীতি বৃদ্ধির জন্য একাধিক নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য শিল্প, সংস্কৃতি ও ডিজিটাল সেক্টরে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে জিডিপি বৃদ্ধি করা। নতুন নীতির মধ্যে রয়েছে সৃজনশীল স্টার্টআপের জন্য করছাড়, বিশেষ তহবিলের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা, এবং দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠা। এছাড়া ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে স্থানীয় সৃষ্টিকর্মের বাজার সম্প্রসারণের জন্য অবকাঠামো উন্নয়নেও সরকার ত্বরান্বিত হবে। সৃজনশীল অর্থনীতি হল এমন একটি ক্ষেত্র যেখানে শিল্প, ডিজাইন, মিডিয়া ও প্রযুক্তি একত্রে নতুন মূল্য সৃষ্টি করে। আন্তর্জাতিক গবেষণা অনুযায়ী, এই সেক্টর বিশ্ব জিডিপির প্রায় দশ শতাংশ অবদান রাখে এবং দেশের অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী দুই বছর মধ্যে সৃজনশীল সেক্টরের অবদান দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে। এ জন্য নীতি বাস্তবায়নের ত্বরান্বিত পর্যবেক্ষণ, নিয়মিত পর্যালোচনা এবং সংশ্লিষ্ট শিল্প সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় নিশ্চিত করা হবে।

বিষয় : সৃজনশীল অর্থনীতি সরকারী নীতি করছাড় স্টার্টআপ দক্ষতা উন্নয়ন জিডিপি অর্থমন্ত্রী

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

ফিন-টেক বার্তা

সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬


অর্থমন্ত্রী জানালেন সৃজনশীল অর্থনীতি প্রসারে সরকারী পদক্ষেপ

প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন সরকার সৃজনশীল অর্থনীতি বৃদ্ধির জন্য করছাড়, তহবিল ও দক্ষতা উন্নয়নসহ বিস্তৃত নীতি চালু করবে, যা দেশের জিডিপি বাড়াতে সহায়ক হবে।
অর্থমন্ত্রী আজ সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন সরকার সৃজনশীল অর্থনীতি বৃদ্ধির জন্য একাধিক নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য শিল্প, সংস্কৃতি ও ডিজিটাল সেক্টরে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে জিডিপি বৃদ্ধি করা। নতুন নীতির মধ্যে রয়েছে সৃজনশীল স্টার্টআপের জন্য করছাড়, বিশেষ তহবিলের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা, এবং দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠা। এছাড়া ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে স্থানীয় সৃষ্টিকর্মের বাজার সম্প্রসারণের জন্য অবকাঠামো উন্নয়নেও সরকার ত্বরান্বিত হবে। সৃজনশীল অর্থনীতি হল এমন একটি ক্ষেত্র যেখানে শিল্প, ডিজাইন, মিডিয়া ও প্রযুক্তি একত্রে নতুন মূল্য সৃষ্টি করে। আন্তর্জাতিক গবেষণা অনুযায়ী, এই সেক্টর বিশ্ব জিডিপির প্রায় দশ শতাংশ অবদান রাখে এবং দেশের অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী দুই বছর মধ্যে সৃজনশীল সেক্টরের অবদান দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে। এ জন্য নীতি বাস্তবায়নের ত্বরান্বিত পর্যবেক্ষণ, নিয়মিত পর্যালোচনা এবং সংশ্লিষ্ট শিল্প সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় নিশ্চিত করা হবে।

ফিন-টেক বার্তা

সম্পাদক ও প্রকাশক: জামিউল মোমিত
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
অর্থমন্ত্রী জানালেন সৃজনশীল অর্থনীতি প্রসারে সরকারী পদক্ষেপ
0:00 0:00
1.0x